সিনথেটিক অয়েলের সুবিধা অসুবিধা
সিনথেটিক অয়েল এমন এক ধরণের জ্বালানি যা গাড়ির ইঞ্জিনের কার্যকারিতা বৃদ্ধির কথা মাথায় রেখেই তৈরি করা হয়েছিল। ফলে গাড়িতে সিনথেটিক অয়েল ব্যবহার করার বেশ কিছু সুবিধা আছে। এইসকল সুবিধার জন্য অনেক গাড়ি চালকই সিনথেটিক অয়েল ব্যবহার করার দিকে ঝুকছেন।
সুবিধা
সিনথেটিক অয়েল ইঞ্জিন চালু হবার সাথে সাথেই কাজ করা শুরু করে। যেখানে মিনারেল অয়েল ইঞ্জিন চালু হবার পর পুরোপুরি কার্যকর হতে কিছুটা সময় লাগে। এছাড়াও গাড়ির পার্টস ভাল রাখতে এবং ইঞ্জিনের নকিং বন্ধ করতে সিনথেটিক ইঞ্জিন অয়েলের সুনাম রয়েছে। নিচে সিনথেটিক অয়েলের আরো কিছু সুবিধা দেয়া হলো
- অল্প বা ঠাণ্ডা তাপমাত্রায় বেশ কার্যকরী
- অধিক বা উচ্চ তাপমাত্রায়ও কাজ করে
- ইঞ্জিনের ময়লা জমতে দেয়না এবং ইঞ্জিন ডাস্ট ক্লিন রাখে
- ঘর্ষণ এবং নকিং কম হয় ফলে ইঞ্জিনের স্থায়িত্ব বাড়ে।
- সহজে পাতলা হয়ে যায়না বিধায়, বাষ্প হয়ে কমে যাওয়ার সম্ভাবনা কম।
- অনেক বেশি সময় ধরে কাজ করে।
- সর্বোচ্চ পরিমাণে পরিশোধিত বিধায় ক্ষতিকারক কেমিক্যাল নেই বললেই চলে
- কম সময়ে কাজ করতে শুরু করে।
- তেলের মধ্যে আনবিক অনুপাত সবসময় সমান থাকে বিধায় কার্যকারিতাও সবসময় একই রকম থাকে।
অসুবিধা
সিনথেটিক অয়েলের যেমন সুবিধা আছে, তেমনি কিছু অসুবিধাও আছে।
- সিনথেটিক অয়েল বেশ পিচ্ছিল। তাই নতুন গাড়িতে বা ইঞ্জিনে সিনথেটিক অয়েলে লুব্রিকেন্ট হিসেবে এই তেল সঠিক বেক-ইনের জন্য প্রথম প্রথম কার্যকরী হতে সময় লাগে। তাই নতুন গাড়িতে সিনথেটিক অয়েলের আগে কিছুদিন মিনারেল অয়েল ব্যবহার করে নেয়া ভাল।
- ইঞ্জিনে মিনারেল অয়েলের চাইতে বেশি তাপ উৎপন্ন করে।
- মিনারেল অয়েলের চাইতে সিনথেটিক অয়েলের দাম অনেক বেশি
- অনেকেই সিনথেটিক অয়েল সম্পর্কে সঠিকভাবে সচেতন নন।
- অনেক সময় হাতের কাছে চাইলেই সিনথেটিক অয়েল পাওয়া যায় না
- অল্প সিসির গাড়িতে এই তেল ব্যবহার করা কিছুটা ব্যয়বহুল।
Motul এর জন্য যোগাযোগ করুনঃ 01994556065
অথবা মেসেজ করুনঃ
AMR Shop


0 মন্তব্যসমূহ