দশ বারো বছর আগে সারা দেশে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল যে ঘটনাটি সেটি হল দুই বোন রিতা আর মিতার গৃহবন্দী হয়ে থাকার। শুধুই কি তারা বাসা থেকে বের হতেন না? নাকি ছিল আরও অন্যকিছু? কি এমন হয়েছিল সে বাসায় যার কারণে ভূতের বাড়ির তকমা লেগেছিল?
মিরপুর ছয় নম্বর সেকশনের সি ব্লকের নয় নম্বর রোডের এক নম্বর বাড়ি। দুই পাশে রাস্তা। আর দুই পাশে বহুতল অ্যাপার্টমেন্ট। ওই বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছিলেন প্রকৌশলী মিতা ও তার চিকিৎসক বোন রীতা। এখন আর ওই বাড়িতে থাকে না তারা। জঙ্গলাকীর্ণ হয়ে পরিত্যক্ত পড়ে আছে কোটি টাকার বাড়িটি। কিন্তু এক সময় এই বাড়িতেই নাকি ঘটত নানা ভুতুড়ে ঘটনা। বাবা মারা যাওয়ার পর থেকেই নাকি বৃদ্ধ মাকে নিয়েই এই বাসায় দিন রাত পার করতেন রিতা আর মিতা। বাসা থেকে নাকি বের হতেন না তারা।
একদিন অদ্ভুত কিছু নজরে পরে প্রতিবেশীদের। তারা বলেন, একদিন মাঝরাতের দিকে নাকি এই দুই বোনকে মাটি খুঁড়তে দেখা যায়। দেখে যেন মনে হয়েছিল কোন কবর খুঁড়ছেন তারা। এলাকাবাসী সাথে সাথে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ আসার পর জানা গেল, তাদের মা মারা গিয়েছেন এবং বৃদ্ধ মাকে তারা নিজেই কবর দিতে চেয়েছিলেন বলে মাটি খুঁড়ছিলেন। অনেকে বলেন সেই থেকে নাকি তাদের বাড়িতে ঘটতে শুরু করে নানাবিধ ভুতুড়ে ঘটনা। রিতা মিতা অলৌকিক উপায়ে তাদের মাকে ফিরে পেতে নাকি করে যাচ্ছিল নানা জাদু আর তপস্যা। অনেকে এটাও বলে মাঝরাতে নাকি রিতা-মিতার মাকেও হেটে বেড়াতে দেখা যায়। যে কবরটা খোঁড়া হচ্ছিল সে কবরের আশেপাশে নাকি তাকে দেখাও গিয়েছে অনেক।
রিতা-মিতাও নাকি কখনও অস্বীকার করেনি তাদের মায়ের উপস্থিতি। একবার এমন ঘটেছিল, এই ভুতুড়ে বাড়ির পাশের বিল্ডিং এ থাকা এক বাসিন্দা এমন কিছু দেখেছিলেন যা সারা এলাকায় সৃষ্টি করেছিল ভূতের আতঙ্ক। রাত ছিল নাকি ৩ টা, তিনি বারান্দায় গিয়েছিলেন বাতাস খেতে, তখনই দেখতে পারেন কবরের জন্য করে রাখা গর্তে কি যেন বসে আছে কালো কাপড় জড়ানো


0 মন্তব্যসমূহ