![]() |
| ভারতের লেহ–মানালি মহাসড়কের লাচুংলা পাস এলাকায় সাজেদুর রহমান |
সাজেদুর রহমানের ভ্রমণ–পরিকল্পনা বদলে গেল ভারতের রাজধানী দিল্লিতে গিয়েই। ছক এঁটেছিলেন দিল্লি থেকে মোটরবাইকসমেত যাবেন রাশিয়ায়। মস্কোয় উড়োজাহাজ থেকে নেমে নিজের বাহনে ছুটবেন ১০ হাজার কিলোমিটারের বেশি দূরের শহর মাগাদানে। সেখান থেকে আবার মস্কো ফিরে দিল্লির উড়োজাহাজে চাপবেন। এরপর পুরো ভারত, নেপাল আর ভুটান ঘুরে ফিরবেন দেশে। সেই ভ্রমণসূচি হিসাব করে বেশ দেনদরবার করে অফিস থেকে ছুটিও নিয়েছিলেন চার মাসের, কিন্তু তাতে বাদ সাধল মোটরসাইকেল বহনের ভাড়া।
২২ জানুয়ারি সাজেদুর রহমান বলছিলেন সেই কথা, ‘দেশে থেকেই ই-মেইলে সিঅ্যান্ডএফ (ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিং) এজেন্টের সঙ্গে উড়োজাহাজে মস্কোয় মোটরবাইক নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে কথা হয়েছিল। যে খরচের কথা বলেছিল, দিল্লিতে গিয়ে দেখি তার তিন গুণ (প্রায় তিন হাজার ডলার) দাবি করছে তারা। এত অর্থ খরচ করার প্রস্তুতি আমার ছিল না। তাই বাতিল করতে হলো পরিকল্পনা।’
![]() |
| পাকিস্তানের কারাকোরাম মহাসড়কে সাজেদুর রহমান। |
ঢাকা থেকে তিনি মোটরবাইক নিয়ে বেরিয়েছিলেন ৩১ আগস্ট। আবার যেদিন ফিরে এলেন ঢাকায়, সেদিনটি ছিল ৩১ ডিসেম্বর। ২০১৯ সালের শেষ দিন। তত দিনে কেটে গেছে ১২১টি দিন। যার মধ্যে ছিল ১০৭ দিনের রোমাঞ্চকর মোটরবাইক ভ্রমণ। বাকি ১৪ দিন পাকিস্তান, ইরানসহ বেশ কিছু দেশের ভিসার আবেদন করতে কাটিয়েছেন তুরস্কের ইস্তাম্বুলে।
![]() |
| ভারতের হিমাচল প্রদেশের কিল্লার থেকে জম্মু ও কাশ্মীরের কিস্তোয়ার যেতে ইশতিয়ারির দুর্গম রাস্তা |
একাকী উপত্যকায়
দিল্লির ঝুটঝামেলা শেষে তিনি তখন ঘুরছিলেন মধ্যপ্রদেশের বাইরাগড়ে। ২১ সেপ্টেম্বর বাইরাগড় থেকে যাচ্ছিলেন হিমাচল প্রদেশের সাচপাস হয়ে কিল্লার। একে তো কনকনে শীত, তার ওপর নামল গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। পথটা কাদা আর নুড়িপাথরে যেন আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠল। সাচপাসের ওপরে একটা টং দোকানের মতো পেলেন সাজেদুর। ততক্ষণে বরফ পড়া শুরু হয়েছে। দোকানে কয়লার আগুনে হাত-পা সেঁকে নিয়ে গরম নুডলস আর চা পান করলেন। নাশতা সেরে বাইকে চাপলেন কিল্লারের উদ্দেশে।
![]() |
| তাতোপানি, নেপাল |
প্রায় ৪২ কিলোমিটার পথ। পুরো পথই পর্বত থেকে নিচের দিকে নামতে হয়। পাঁচ কি ছয় কিলোমিটার নামার পর একটা মোড় পড়ল। সাজেদুর বলছিলেন, ‘সে মোড় অনেকটা হেয়ার পিন ব্যান্ডের মতো। খুব ধীরে নামছিলাম। হঠাৎ ডান পায়ের নিচে থাকা একটা পাথরের টুকরা পিছলে গেল। ডান পাশে মোটরবাইকটা কাত হয়ে পড়ে গেল। ব্যাগেজসহ প্রায় ৩০০ কেজির ওজনের বাইক ছেড়ে দিতে হলো। মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ল। আমি সুস্থ, বাইকেরও তেমন কিছুই হওয়ার কথা নয়; কিন্তু পুরো উপত্যকায় আমি একা। কাশ্মীর পরিস্থিতির কারণে পর্যটক নেই, স্থানীয় ব্যক্তিদেরও তখন যাতায়াত সীমিত।’
বসে থাকলেন অনেকক্ষণ। এদিকে বাইকে খাওয়ার পানি যা ছিল, তার সবই শেষ। কতক্ষণ বাইক টানাহেঁচড়া করার পর দুশ্চিন্তায় গলা শুকিয়ে এল তাঁর। বসে আছেন একা। মৃদু বরফ পড়া শুরু হলো। শীতের তীব্রতাও গেল বেড়ে। এদিকে বেলা গড়াচ্ছে সন্ধ্যার দিকে। ‘এমন বরফপতনের সময় খোলা আকাশে দাঁড়িয়ে থাকা কী যে কঠিন, বলে বোঝানো যাবে না। তাই যতই সময় গেল, মনে হতে লাগল আজই হয়তো শেষ দিন। অনেক আজব চিন্তা মাথায় খেলে যাচ্ছিল,’ বলেন সাজেদুর।
তখনই তাঁর মনে হলো, ব্যাগের কারণে বাইকের ওজন বেড়েছে। ব্যাগটা খুলে ফেললে কেমন হয়! ‘ব্যাগটা খোলার জন্য দু-তিনটি বানজি কর্ড খোলা শেষ করেছি মাত্র, তখনই গাড়ির শব্দ।’ আনন্দে যেন আত্মহারা হয়ে গেলেন সাজেদুর। গাড়িটি আসার পর লোকজন এগিয়ে এলেন সাহায্য করতে। তাঁদের সহায়তায় ফিরে এলেন কিল্লার শহরে।
![]() |
| ত্রিপুরার উদয়পুর থেকে গুজরাটের আহমেদাবাদ যাওয়ার পথে। |
থানায় কাটল রাত
জম্মুর কিস্তোয়ার এলাকা থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর সাজেদুরের গন্তব্য ছিল কাশ্মীরের পেহেলগাম। পথে থামতে হচ্ছিল সেনাবাহিনীর নিরাপত্তাচৌকিতে। জিজ্ঞাসাবাদের পর এক চৌকি থেকে তাঁর হাতে ধরিয়ে দিল একটি চিরকুট। চিরকুটের উদ্দেশ্য, পরের কোনো নিরাপত্তাচৌকিতে যেন হয়রানির শিকার না হন; কিন্তু তাতেও কাজ হলো না। এমনিতেই দেরিতে বেরিয়েছিলেন, তার ওপর প্রায়ই থামাতে হচ্ছিল। তাই গিরিপথ সিন্থান টপে এসে সূর্য ডুবুডুবু। তখনো ৭২ কিলোমিটার পথ বাকি। সন্ধ্যার পর কারফিউ জারি ছিল সেই অঞ্চলে। তাই ঝামেলা বাড়ল। পথে পথে থামতে হলো। সাজেদুর বলছিলেন, ‘এমন চড়াই-উতরাই পেরিয়ে অনেকটা পথ চলে আসি। এবার যখন আটকাল, তখন পেহেলগামের দূরত্ব মাত্র ১০ কিলোমিটার।’ এবার অবশ্য লাভই হলো সাজেদুরের। তাঁর উদ্দেশ্য সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে পুলিশের বড় কর্তা জানালেন, পেহেলগামের সবকিছু এখন বন্ধ, কোথাও থাকা-খাওয়ার কিছু পাবেন না। তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হলো থানায়। সেই রাতটা সাজেদুরের কাটল পেহেলগাম থানাতেই।
![]() |
| নেপালে প্রথম রাত কেটেছিল পেট্রলপাম্পে |
মোটরবাইকে টানা ২৪ঘণ্টা
সাজেদুরের এক ফরাসি বন্ধু এসেছিলেন ভারতে। বন্ধুর সঙ্গে ঘোরার সুযোগ হারাতে চাননি বলে একটা তড়িঘড়ি যাত্রায় নেমেছিলেন। সেদিনটি ছিল ২৫ অক্টোবর। গুজরাটের সুরাত থেকে সাজেদুরের গন্তব্য ছিল দিল্লি। সেই যে যাত্রা শুরু করলেন, মধ্যে ১৫টি ছোটখাটো বিরতি দিয়ে ১ হাজার ২১১ কিলোমিটার পথ মাড়ালেন ২৪ ঘণ্টা ১৬ মিনিটে। নিদ্রাহীন এক যাত্রা শেষে দেখা করলেন বন্ধুর সঙ্গে। সাজেদুর বলছিলেন, ‘পুরো ভ্রমণে এমন টানা ভ্রমণের ঘটনা আরও আছে!’
পাকিস্তানে লাল-সবুজের গর্ব
পাকিস্তানে প্রবেশের ভিসা নিয়েছিলেন তুরস্ক থেকে। সে পথে যাবেন চীনে। তবে এরও আগে পাকিস্তানের মাটিতে বাংলাদেশের লাল–সবুজ পতাকা বয়ে বেড়ানোর সুপ্ত বাসনা পেয়ে বসেছিল। ১ নভেম্বর অমৃতসরের আটারি সীমান্তে যেতে যেতেই ইমিগ্রেশন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তাই ২ নভেম্বর সকাল সকালই ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে সাজেদুর রহমান পাকিস্তানে প্রবেশ করলেন। সাজেদুর বলছিলেন, ‘সঙ্গেই রেখেছিলাম আমাদের পতাকা। পাকিস্তানের মাটিতে পা রেখেই পতাকাটা তুলে ধরলাম। অনেক দিনের ইচ্ছাটা যেন পূরণ হলো।’ সেদিন তিনি মোটরবাইক হাঁকিয়ে ছুটেছিলেন লাহোরের পথে। পথে যেতে যেতে যেখানেই থেমেছেন, উঁচিয়ে ধরেছেন বাংলাদেশের পতাকা।
চীনওতাঁকেচায়নি!
কারাকোরাম বিশ্বের বিপজ্জনক মহাসড়কগুলোর একটি। পাকিস্তান, ভারত ও চীনের সীমানাজুড়ে বিস্তৃত–বিস্তীর্ণ এই পার্বত্যাঞ্চলে মোটরসাইকেল চালিয়ে বেশ রোমাঞ্চিত ছিলেন সাজেদুর। বলছিলেন, ‘কারাকোরামকে পৃথিবীর অষ্টম আশ্চর্যও বলা হয়। পর্বতগুলো কেমন যেন মায়ায় জড়ানো। এই দুর্গম পথে বাইক চালানোর কথা কখনো ভুলব না।’ তিনি কারাকোরামকে আরও ভুলবেন না অন্য একটি কারণে। ১২ নভেম্বর সেদিন। পরিকল্পনা এঁটেছিলেন সোস্ত সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করবেন চীনে, কিন্তু বাদ সাধল বরফপতন। তিন দিন ঘাপটি মেরে থাকতে হলো হোটেলে।
ভারদ্বাজ দায়ালার সঙ্গে দুইদিন
ভারদ্বাজ দায়ালা ভারতের একাকী প্রথম বিশ্বভ্রমণকারী মোটরবাইকার। থাকেন অন্ধ্র প্রদেশ রাজ্যের বিশাখাপট্টনমে। সেই শহরে গিয়েই এই মোটরবাইকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন সাজেদুর। ১৪ থেকে ১৬ ডিসেম্বর ঘুরলেন শহরের নানা জায়গায়, ছুটে গেলেন আরাকু উপত্যকায়। সাজেদুর বলছিলেন, ‘ভারদ্বাজ দায়ালার সঙ্গে যোগাযোগ ছিল ই-মেইলে। এই প্রথম তাঁর সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলাম। অসাধারণ মানুষ তিনি।’
বিশ্বভ্রমণকারী এই মোটরবাইকার ২০০৬ সালে ভ্রমণে বেরিয়েছিলেন। ১৮ মাসের ভ্রমণে তিনি ৪৭ হাজার পথ মোটরবাইক চালিয়েছেন। সাজেদুর বলছিলেন, সে সময় প্রযুক্তিসুবিধা ছিল না। মানচিত্র দেখে পথ চলতে হতো। তাই ভারদ্বাজের যাত্রা ছিল কঠিন।
নেপালে পথের ভুল
মিথিলা এলাকাটি নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে। এই মিথিলায় এসেই ২১ ডিসেম্বর রাত হয়েছিল। আর যখন সেই পেট্রলপাম্পে হাজির হলেন, তখন তো রাত দেড়টা। গন্তব্য পোখারা। কিন্তু এই রাতে থামা দরকার। আশপাশে খোঁজ নিয়ে কোনো থাকার জায়গা পেলেন না। সাজেদুর বলছিলেন, ‘সঙ্গে তো ঘুমানোর জন্য স্লিপিং ব্যাগ, বালিশসহ ছিলই। তাই পাম্পের একটি জায়গায় ঘুমানোর বন্দোবস্ত করেছিলাম।’
সকালে ঘুম ভাঙল আটটায়। পাশের দোকানে নাশতা সেরে মোটরবাইক চালু করলেন। ছুটতে ছুটতে যেখানে আটকে গেলেন, সেটা শহরমতো একটি জায়গা। ছোটখাটো জ্যামে পড়েছেন। সাজেদুরের বেশভূষা দেখে স্থানীয় একজন এলেন কথা বলতে। উৎসুক মানুষকে নিজের সম্পর্কে বলে জানালেন তিনি পোখারা যাচ্ছেন। তখনই জানলেন, তিনি ভুলপথে এসেছেন। ‘আসলে রাতে মোটরবাইকটা যে পথে গিয়েছি, সে মুখো করে রেখেছিলাম। দিক বোঝা কঠিন নেপালের সে পথে। তাই এই ঘটনা!’ বলেন সাজেদুর। সেই সঙ্গে সম্পূরক তথ্যও যোগ করলেন, ‘এরপর এমন পথ ভুলের ঘটনা ঘটেছিল আরেকবার।’ সেবার নাকি ৯০ কিলোমিটার পথ মারিয়েছেন!
![]() |
| মোটরবাইকে ভারতের প্রথম বিশ্বভ্রমণকারী ভারদ্বাজ দায়ালার সঙ্গে সাজেদুর। |
কাগজে ভুটানে, শরীরে ভারতে
২৮ ডিসেম্বর সেদিন। সাজেদুরের নির্ধারিত ছুটি প্রায় শেষ। ভুটান-ভারত সীমান্তের জয়গাও ইমিগ্রেশন আনুষ্ঠানিকতা শেষ করতেই সন্ধ্যা প্রায় ছয়টা বেজে গেল। জানতে পারলেন, সেদিন আর প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না; কিন্তু ততক্ষণে ভারতের ইমিগ্রেশন থেকে আনুষ্ঠানিকতা শেষে বেরিয়ে এসেছেন তিনি। এখন কোথায় যাবেন? দুই দেশের ইমিগ্রেশনের ফাঁদে পড়ে সেই রাত কাটাতে হলো জয়গাওয়ের একটি হোটেলে। কাগজে-কলমে তিনি সেদিন ভুটানে ছিলেন, কিন্তু শারীরিকভাবে ছিলেন ভারতে। পরদিন ২৯ ডিসেম্বর। হাতে আছে আর দুই দিন, বাড়ি ফেরার যাত্রা শুরু করতে হবে। কিন্তু ভুটান? সাজেদুর বলছিলেন, ‘এদিকে ভুটান বলছে অন্তত সাত দিনের হোটেল বুকিং না থাকলে আমাকে তারা প্রবেশ করতে দেবে না। ভারতও বলছে ভুটানের সিল ছাড়া আমাকে এ দেশে প্রবেশ করতে দেবে না। বাজে এক পরিস্থিতিতে পড়লাম।’ একসময় সেই পরিস্থিতি সমাধান হলো ভারতীয় ইমিগ্রেশন অফিসে। ততক্ষণে দিন পার। ৩০ ডিসেম্বর পথ ধরলেন দেশের। বিকেল নাগাদ পা রাখলেন পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধায়। সাজেদুর বলেন, ‘চার মাস পর দেশের মাটিতে পা রেখে চোখ বন্ধ করে শ্বাস নিলাম। তাতেই যেন কেমন একটা প্রশান্তি অনুভব করলাম।’
৩১ ডিসেম্বর ভোরে কলবেল চাপলেন ঢাকায় নিজের বাসার।
![]() |
| গিলগিত–বালাতিস্তান, পাকিস্তান |
একনজরে সাজেদুরের ভ্রমণ
দেশ: ভারত, পাকিস্তান, নেপাল
কোন দেশে কত দিন: ভারতে ৬৯ দিন, পাকিস্তানে ২৭ দিন, নেপাল ৮ দিন। বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়া-আসা ৩ দিন।
ভ্রমণের সময়কাল: ১২১ দিন
মোটরবাইকে ভ্রমণের সময়কাল: ১০৭ দিন
পাড়ি দেওয়া পথ: ২২ হাজার ১১১ কিলোমিটার
জ্বালানি: প্রায় ৭০০ লিটার
ভ্রমণপথ
পর্ব-১: ঢাকা-যশোর-কলকাতা-আসানসোল-লক্ষ্ণৌ-আগ্রা-দিল্লি-চাম্বা-বাইরাগড়-সাচপাস-কিল্লার-ইশতিয়ারি-কিস্তোয়ার-পেহেলগাম-শ্রীনগর-সোনমার্গ-সাসপোল-লেহ-প্যাং-সিসু-মানালি-দিল্লি-আজমির শরিফ-আহমেদাবাদ-সুরাট-মুম্বাই।
পর্ব-২: মুম্বাই-সুরাট-দিল্লি-অমৃতসর-আটারি-ওয়াগা-লাহোর-ইসলামাবাদ-সোয়াত-মিঙ্গোরা-বিশাম-চিলাস-গিলগিট-হুনজা-সোস্ত-হুনজা-সাজিন-দাসু-বিশাম-ইসলামাবাদ-পেশোয়ার-ইসলামাবাদ-লাহোর-আমৃতসর-দিল্লি-উদয়পুর-গোয়া-বেঙ্গালুরো-চেন্নাই-বিশাখাপট্টনম-কলকাতা-ইসলামপুর-পানিট্যাংকি-কাকরভিটা-মেচি-মিথিলা-পোখারা-বেনি-মুস্তাং-মুক্তিনাথ মন্দির-জমসম-পোখারা-কাঠমান্ডু-মেচি-কাকরভিটা-জয়গাও-ফুয়েন্টশলিং-শিলিগুড়ি-ইসলামপুর -ফুলবাড়ি-বাংলাবান্ধা-পঞ্চগড়-ঠাকুরগাঁও-সৈয়দপুর-রংপুর-বগুড়া-টাঙ্গাইল-গাজীপুর-ঢাকা









0 মন্তব্যসমূহ