হাসপাতালে যারা চাকুরী করেন, পরিবেশ হয়তো তাদের গম্ভীর করে দেয়। চাকুরীজীবন তাদের ব্যাক্তিগত জীবনকে প্রভাবিত করে কি না - জানি না। তবে তাদের গোমড়া মুখগুলো রোগীর আত্মীয়-স্বজনের মনে এক ধরনের ভীতি ঢুকিয়ে দেয়।
.
শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য এই দুটো সেবা খাত হলেও এখন এস্টাব্লিষ্ট বিজনেস। এবং আমরা গ্রাহক হিসেবে মেনেও নিয়েছি। উভয় ক্ষেত্রেই ব্যাতিক্রম যে নেই, তা নয়।
.
গতকাল এক ডাক্তারের কাছে একজন রোগী খরচপাতির ব্যাপারে অনুযোগ করছিলো। ডাক্তারের জবাব ছিলো, এখন অসুখ হলে মানুষ টাকা নিয়েই আসে। সাধারণ জ্বর হলেও ৪/৫ হাজার টাকা নিয়ে আসে। আর এইখানে আপনি এত কম টাকা নিয়ে চলে আসছেন !
.
গতরাতে শাফিনের আম্মুকে যখন ওটিতে নেয়া হয়, তখন কয়েকজনের ওটি সম্পন্ন এবং আরও কতক সিরিয়ালে। তার সামনেই এক নার্স অকপটেই বলে ফেললো, আজকে অনেকগুলো ওটি। অনেক খুশি লাগতেছে। ঈদের দিনের মতো লাগতেছে।
.
এই বিষয়ে কথা বললেই প্রশ্ন আসে, শিক্ষা বা স্বাস্থ্য খাতের এই ব্যবসা কি মানুষকে শিক্ষা /স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছে না?
হ্যাঁ। সেটা দিচ্ছে। তবে, আমার মনে হয় বর্তমান সৃষ্ট অবস্থার নিয়ামক অনেকগুলো। অনেকগুলো পতনের সম্মিলিতরূপ এটা। যেমনঃ কুইক ধনী হওয়ার প্রবণতা, সামাজিক মূল্যবোধের পঁচন, সহমর্মিতা-সহযোগিতা সমাজ থেকে উঠে আত্মকেন্দ্রীকতা প্রতিষ্ঠা এবং পুঁজিবাদী অর্থনীতির পিক আওয়ার। এইরকম আরও কিছু বিষয়।
.
যাকগে। এইগুলো বাজে আলাপ।


0 মন্তব্যসমূহ