এফ আর টাওয়ার বিল্ডিংটায় দুর্ঘটনার ব্যাপারে কিছু প্রশ্ন ছিলো
১) ২০১৫ সালে হালকা একটা ভুমি কম্পে ভবনটি হেলে পড়ে পাশের বিল্ডিং এর সাথে প্রায় মিশে যায়। এজন্য ভবনের দুর্বল কন্সট্রাকশন এবং ডিজাইন বহির্ভুত নির্মান কাজ দায়ী। মানে হচ্ছে এই নস্টামির মুল কারিগর হচ্ছে ডেভলপার কোম্পানি রুপায়ন গ্রুপ।
তাদেরকে কি আইনের আওতায় আনা হবে?
২) মাত্র ৫ কাঠা জায়গায় যেখানে ৮ থেকে ১০ তলা বিল্ডিং ডিজাইন করতে আমরা হিমশিম খাই সেখানে তারা একটা ২২ তলার ভবন বানিয়ে ফেলেছে চিন্তা করে দেখেন। মুলত বিল্ডিং এর ফাউন্ডেশন মোটেও ২২ তলার ছিলো না এবং এখনো নেই।
এই দায় কি রাজউক নেবে?
৩) ১০ তলার উপরে কোন বিল্ডিং বানাইতে হলে ভবন মালিক বা ডেভেলপার কোম্পানিকে ১৩ টা সরকারি প্রতিষ্ঠান এর নির্ধারিত ব্যক্তির কাছ থেকে অনুমোদন নিতে হয়। মজার বিষয় হচ্ছে ফায়ার সার্ভিস ডিপার্টমেনট এদের মধ্যে একটা।
তাহলে তারা কি করেছিলো?
৪) এখন যদি বলেন ফায়ার সার্ভিস এই ভবনের ফায়ার সিস্টেমের অনুমোদন দেয়নি তাহলে কিভাবে তারা বিল্ডিং বানালো, আর যদি অনুমোদন থাকার পরেও যথাযথ ফায়ার ফাটিং এর যন্ত্রপাতি না রাখে তবে ফায়ার সার্ভিস এর ইন্সপেকশন ডিপার্টমেন্ট এর লোকজনের এখন তো জেলে যাওয়া উচিত।
তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কি ব্যাবস্থা নেয়া হবে?
৫) দুর্ঘটনা ঘটার পরে পুরো বিষয়টা লাইভে ছিলো। ফায়ার সার্ভিস ডিপার্টমেন্ট এর লোকজনের হাতে তেমন কোন আধুনিক ইকুইপমেন্ট ছিলো না। লাফিয়ে পড়া লোকগুলো খুবই সুন্দর ভাবে বাঁচানো যেত ফায়ার রেফট দিয়ে। কিন্তু সেগুলো সম্পর্কে তারা জানেই না। তাহলে গত কয়েক বছর ধরে ফায়ার সার্ভিস ডিপার্টমেন্ট এর পেছনে খরচ করা-
শত শত কোটি টাকা কোথায় গেলো?
৬) রুপায়ন গ্রুপ এখন এই প্রত্যেকটা খুনের পেছনে দায়ী। তাদেরকে কি আসলেই দায়ি করা হবে? যদি হয়ে থাকে তবে তারা কি ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার এবং কোম্পানি গুলোকে ক্ষতিপূরন দেবে বা-
দেয়ার জন্য তাদেরকে কি বাধ্য করা হবে??
৭) ঢাকা শহরের প্রতিটা হাইরাইজ ভবনগুলোকে ফায়ার ইন্সপেকশন এর আওতায় আনতে হবে এই মর্মকথা কি ফায়ার সার্ভিস ডিপার্টমেন্ট এর উদয় হবে নাকি-
আবার আগের মতন যেই সেই হয়ে যাবে?
সর্বশেষ একটা প্রশ্ন হচ্ছে???
৮) বাঙ্গালি হিসেবে আমাদের জীবনের কি কোন দাম নেই?



0 মন্তব্যসমূহ