![]() |
| ছবিঃগুগল |
কম্পিউটার শিল্প ও
ব্যবসায় পরিচালনার জন্য এক অনবদ্য ভুমিকা পালন করে যাচ্ছে। প্রযুক্তির এত বেশি
অগ্রগতি যে, যারা ব্যবসার জন্য কম্পিউটার ব্যবহার করছে না তারা কম্পিউটার
ব্যবহারকারীদের তুলনায় অনেক বেশি পিছিয়ে পড়তেছে। সুতরাং বলা যায় যে, কম্পিউটার
ব্যবসাকে অনেক সুযোগ এবং সুবিধা প্রদান করছে।
কম্পিউটারে অনেক ধরনের
সফটওয়্যার আছে যার দ্বারা বিভিন্ন ধরনের ফাইল, তথ্যসমূহ, যে কোন কিছুর সময়সূচী
এছাড়াও সময়সীমা খুজে পাওয়া যায়। কম্পিউটারে ব্যবসায়ের সকল তথ্য সুন্দরভাবে সাজিয়ে
রাখা যায়। আপনি একটা কম্পিউটারে অনেক বেশি তথ্য রাখতে পারবেন। কম্পিউটারে তথ্য
রাখার জন্য জায়গা অনেক কম লাগে এবং এর জন্য খরচ ও বেঁচে যায়। যে কোন কোম্পানির
উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কম্পিউটারের ব্যবহার অপরিহার্য কেননা এর দ্বারা বিভিন্ন
তথ্যাবলী দ্রুত বাহির করা সম্ভব হয়।
আন্ম নির্ভরশীলতা বৃদ্ধিঃ
কম্পিউটারের সকল কর্মচারীদের
কাজের প্রতি আত্মনির্ভরশীল করছে কেননা সবার কাজের উৎস পুর্বে থেকেই নির্ধারন করা
থাকে। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, যে কোন কোম্পানি নিজস্ব সফটওয়্যার তৈরি করে
প্রশিক্ষন উপাদান তৈরি করতে পারে। বাজারজাতকরণ উপাদান তৈরির জন্য ডেস্কটপ পাবলিশিং
সফটওয়্যার ব্যবহার করা যায়। কম্পিউটার ব্যবহারের ফলে অফিসের কাজ ঘরে বসেই করা যায়
বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করার মাধ্যমে।
ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করাঃ
প্রযুক্তির উন্নতির জন্য
বিভিন্ন সেবা সহজলভ্য হয়েছে কেননা বিভিন্ন যন্ত্রাপাতির মূল্য এখন কমে গেছে যার
ফলে অফিসের কর্মচারী ও অফিস সারঞ্জামাদি কম লাগছে এবং খরচ ও কমে গেছে। যে কাজ একজন
কর্মচারীর করতে অধিক সময় লাগত সেই কাজ একটা কম্পিউটার খুবই দ্রুত করে দিতে সক্ষম।
মোটকথা, এখন কম্পিউটারের মূল্য কম থাকায় অফিসে কম্পিউটার নিয়ে তার মধ্যে ফাইল
রাখার ফলে ফাইল ডেস্ক ও লাগছে না আবার তথ্যগুলো ও নিরাপদে থাকে। অফিসের চিঠি
পত্রাদির খরচ ও এখন লাগে না ইমেইল ব্যবহারের কারণে। এক জায়গা থেকে অন্য যায়গায়
যেয়ে মিটিং করার ও প্রয়োজন হচ্ছে না ভিডিও কনফারেন্স এর কারণে।
সহজলভ্য গবেষণা ও উন্নয়ণে কম্পিউটারঃ
গবেষণা ও উন্নয়নের কাজেও
কম্পিউটার খরচ কমিয়ে দিয়েছে। ইন্টারনেটের দ্বারা আমরা যে কোন বৈজ্ঞানিক গবেষণা
করতে পারি অনেক সহজে। যেমন, কোন পন্য বাজারজাত করার জন্য মডেলিং করার প্রয়োজন হয়
কিন্তু এই কাজ এখন সফটওয়্যার এর মাধ্যমে ভার্চুয়াল ছবি ব্যবহার করে খুব সহজে করা
সম্ভব।সুতরাং এর দ্বরা ব্যয় ও কম হয়ে যায়।
বিক্রয় সেবাঃ
অধিক মুনাফা অর্জনের জন্য
অনলাইনে পন্য বিক্রয়ের কোন বিকল্প নেই। কোম্পানির ওয়েব সাইটের মাধ্যমে পন্য বিক্রয়
খুব সহজতর করা যায়। অনলাইনে পন্য বিক্রির ফলে যে কেউ সেবা দেখে ও বেছে নিতে পারে।
উপস্থাপনাঃ
ব্যবসার সম্প্রসারনের
জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম উপস্থাপন করার প্রয়োজন হয়। কম্পিউটারের একটি এপ্লিকেশন
পাওয়ার পয়েন্ট ব্যবহারের ফলে খুব সহজে স্লাইড আকারে তথ্যবহুল আলোচনা সংক্ষেপে সবার
সামনে উপস্থাপন করা সম্ভব।
ইন্টারনেটের সুবিধাঃ
ইন্টারনেট যুক্ত
কম্পিউটার ক্রেতা এবং বিক্রেতা উভয়ের মধ্যে ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ স্থাপন করতে
পারে। এমনকি ক্রেতা কোন পন্যের অর্ডার করলে তা দেখাশুনা ও করা সম্ভব ইন্তারনেটের
মাধ্যমে। সামাজিক নেটওয়ার্কিং এর মাধ্যমে নিজের কোম্পানির ব্রান্ডিং করা ও সম্ভব
খুবই সহজে।


0 মন্তব্যসমূহ